ঢাকা: বাংলাদেশের গণমাধ্যমের মুদ্রণ, টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন ও নিউ মিডিয়ায় সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
তারা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিং, ডাটা জার্নালিজম, নিউজ প্রোডাকশন, নিউজ প্রেজেন্টেশন ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতেও রাখছেন উল্লেখযোগ্য অবদান।
শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য উদযাপন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ দৃঢ় করতে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় স্টামফোর্ডের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে আয়োজিত হয় ‘স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি মিডিয়া প্রফেশনালস গেট টুগেদার-২০২৫’।
সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সন্মানিত চেয়ারম্যান ড. ফারাহনাজ ফিরোজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউনুছ মিয়া ও রেজিস্ট্রার আবদুল মতিন।
‘আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে আমাদের ব্যবধান কমানোর জন্য এটি একটি দুর্দান্ত উদ্যোগ। আমরা চাই আপনি জানুন যে আমরা আপনার পাশে আছি’।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে ড. ফারাহনাজ ফিরোজ বলেন, গণমাধ্যম একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা, যেখানে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের সেই প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করা। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় যুগোপযোগী শিক্ষা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সাবেক শিক্ষার্থীরা দেশের গণমাধ্যমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা আমাদের গর্বিত করে। ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে। আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই যেখানে সাবেক শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সহযোগী অংশীদার হিসেবে আমাদের পাশে থাকবে।
উপ-উপাচার্য ড. মো. ইউনুছ মিয়া বলেন, বাংলাদেশের বর্তমানের মিডিয়াকে পরিচালনা করছে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটরা। আমি মনে করি এটা আমাদের বড় একটা প্রাপ্তি ও গৌরবের বিষয়।
অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত স্টামফোর্ডের সাবেক শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য দিক নির্দেশনা দেন।
সাবেক শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রতিযোগিতামূলক গণমাধ্যমে টিকে থাকতে হলে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, প্রযুক্তির ব্যবহার, অনুসন্ধানী দক্ষতা ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিংয়ে পারদর্শী হতে হবে।
তারা আরও বলেন, গণমাধ্যম দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই শুধু খবর সংগ্রহ নয়, সেটি কিভাবে উপস্থাপন করতে হবে, সেটাও জানতে হবে।
স্টামফোর্ডের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে ডিআরইউ রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড, টিআইবি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার, ইউনিসেফ মীনা অ্যাওয়ার্ডসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। অনেকেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করছেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মৃত্যুঞ্জয় আচার্য্য, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন মামুন, সহকারী অধ্যাপক সামিয়া আসাদি, সহকারী অধ্যাপক তানিয়া সুলতানা, সহকারী অধ্যাপক শবনম জান্নাতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
এএটি