মাছ অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও প্রোটিনজাতীয় খাবার। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় থাকে কোন না কোন মাছ।
রন্ধন পদ্ধতি অনুযায়ী মাছের কালিয়াতে কিংবা পেঁয়াজির মতো অল্প তেলে ভেজে বড়া তৈরি করে রুই মাছের তেল খাওয়া যায়।
মৎস্য বিভাগের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারাজুল কবির বাংলানিউকে বলেন, রুই মাছের তেল আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরল বা এলডিএল এর সংখ্যা বাড়িয়ে দেয় ফলে আমাদের রক্তনালী পরিষ্কার থাকে। রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধে না। ফলে হার্ট অ্যাটাক হওয়া ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
মাছের তেলে থাকা ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের শরীরের রক্তচাপের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আর তৃতীয় উপকার হলো আমাদের রক্তের অণুচক্রিকা উপাদানকে জমাট বাঁধতে দেয় না। ফলে ধমনিতে রক্ত পরিষ্কার থাকে এবং স্বাভাবিক গতি নিয়ে চলাচল করতে পারে বলে জানান মৎস্য কর্মকর্তা ফারাজুল।
তিনি আরও বলেন, রুই মাছের তেল উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যাকে দূর করে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতাকে বাড়ায়। মস্তিষ্কের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করে চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
মাছের মধ্যে সর্বাধিক সহজলভ্য এবং সুস্বাদু মাছ যেহেতু রুই, তাই এই রুই মাছের তেলকেই ‘মাছের তেল’ হিসেবে পরিমিতভাবে খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে জানান ওই সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারাজুল কবির।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১৩ ঘণ্টা, মার্চ ২৯, ২০২৫
এএটি