মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে হুতি যোদ্ধারা।
হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থানীয়ভাবে তৈরি ভূমি থেকে আকাশে ছোড়ার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মার্কিন ইউএভিটিকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
তার দাবি অনুসারে, গাজার সংগ্রামী ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তাদের প্রতিরোধ শুরু করার পর থেকে এই পর্যন্ত ১৭টি মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল হুতি যোদ্ধারা।
ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে শত্রুপক্ষের সমস্ত প্রচেষ্টা মোকাবিলায় ইয়েমেনি হুতি বাহিনী তাদের অব্যাহত দৃঢ় সংকল্প জানিয়েছে। গোষ্ঠীটি নিশ্চিত করেছে, গাজার সমর্থনে ইয়েমেনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারা তাদের অভিযান চালিয়ে যাবে। গাজার ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শেষ না হওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হুতিরা অভিযান বন্ধ করবে না।
এদিকে মার্কিন আগ্রাসনে ৬১ জন ইয়েমেনি নিহত হয়েছে। আল মায়াদিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে বিমান হামলায় পাঁচজন নিহত, পাঁচজন আহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি বলেন, ইয়েমেনের মানুষ তাদের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং তারা তা মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত।
আল-আসবাহির বুধবার (২ এপ্রিল) আল মায়াদিনকে নিশ্চিত করেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে সানা এবং অন্যান্য প্রদেশগুলিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আগ্রাসনে মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৬১ জন। আহতের সংখ্যা ১৩৯ জন। তিনি বলেন, গাজার সমর্থনে ইয়েমেন তাদের সহায়তা অভিযান শুরু করার পর থেকে মার্কিন-ব্রিটিশ-ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৯৬৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী সমুদ্রে এবং ইসরায়েলি এলাকায় তাদের অভিযান আবার শুরু করে। প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের ওপর হামলা তীব্র করেছে। দেশটির বিভিন্ন প্রদেশগুলোতে বিমান হামলা চালিয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৬০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৩, ২০২৫
এসএএইচ