ঢাকা, শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

বাংলানিউজ স্পেশাল

রাজনীতিতে একেক মত, আ.লীগ ঠেকাতে ঐকমত্য

স্পেশাল ও সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২০৬ ঘণ্টা, এপ্রিল ২, ২০২৫
রাজনীতিতে একেক মত, আ.লীগ ঠেকাতে ঐকমত্য

ঢাকা: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এখন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অগ্রভাগে আছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই তিনটি দলেরই রাজনৈতিক মতাদর্শগত ভিন্নতা আছে, সেটি প্রকাশ পাচ্ছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমসহ নানা বিষয়ে তাদের অবস্থানে।

এমনকি কিছু ক্ষেত্রে পরস্পর পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও দিচ্ছে দল তিনটি। কিন্তু একটি বিষয়ে তারা ঐকমত্য। সেটি হলো ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ঠেকানো।  

দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতার প্রাণ ঝরিয়ে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত ও পলায়ন করা এই দল যেন আর কখনো বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরতে না পারে, সে বিষয়ে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি- তিন দলের নেতাদের কণ্ঠেই এক সুর। এমনকি এই প্রশ্নে যেন অটুট থাকা ঐক্য নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে দলগুলো সচেষ্টা বলেও নেতারা উল্লেখ করছেন।

নির্বাচন-সংস্কার প্রশ্নে মতভিন্নতা
নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে অনেকটাই স্পষ্ট যে নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে আলাদা অবস্থান নিয়েছে বর্তমানে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ন্যূনতম সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে দেওয়া হোক। ওই দলের কোনো কোনো নেতা বলছেন, নির্বাচিত সরকার ছাড়া ঢালাওভাবে সংস্কার গ্রহণযোগ্য হবে না। জামায়াত বলছে, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। এ নিয়ে দল দুটির মধ্যে স্পষ্টত মতভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। পরস্পর একে অন্যের বিরুদ্ধে বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্য দিচ্ছে। স্বৈরাচার হাসিনাবিরোধী অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের উদ্যোগে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অবস্থানেও পার্থক্য রয়েছে। এ দলটি নির্বাচনের আগে সংস্কার এবং জুলাই হত্যাকারীদের বিচার দাবি করছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত আগস্টে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। জনরোষের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান দলটির প্রধান শেখ হাসিনা। এরপরই শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার দায়িত্ব নিয়ে সংবিধান, জনপ্রশাসন, আইন, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। তবে প্রায় আট মাস হতে চললেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনের রোডম্যাপ ও সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা আসেনি। যদিও বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য একটি সময় (আগামী ডিসেম্বর থেকে জুন) ঘোষণা করেছে। কিন্তু তাতে বিএনপি সন্তুষ্ট নয়। দলটির নেতারা বলছেন, নির্বাচনের যে সময়ের কথা বলা হয়েছে তাতে সুনির্দিষ্ট কোনো রোডম্যাপ ঘোষণা নেই। চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছরের জুনে নির্বাচনের কথা বলছে সরকার। সরকারের এই বক্তব্যকে অস্পষ্ট বলে মন্তব্য করছেন বিএনপির নেতারা। তারা বলছেন, জাতিকে রক্ষার স্বার্থে, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে নির্বাচনের কথা বলছে বিএনপি।

দলটির নেতাদের ভাষ্যমতে, বিএনপি চায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো শেষ করে দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, ডিসেম্বর হচ্ছে সর্বসম্মত সময়সূচি। নির্বাচন এর পরে গেলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেবে। দেশে অস্থিতিশীলতা বাড়বে।  

বুধবার (২ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচনের কথা বলে আসছি আমরা। নির্বাচন ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থা সংস্কার করেই আমরা নির্বাচনের কথা বলে আসছি। আমরা কখনো বলিনি আগে নির্বাচন পরে সংস্কার। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু করার জন্য ন্যূনতম যে সংস্কার তা করতে হবে।

কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের সংস্কার ছাড়া নির্বাচন ৫ আসস্টের বিপ্লবের মূল স্পিরিটকে ধ্বংস করবে। জামায়াত বলে আসছে, বর্তমান সরকারকে নির্বাচনের জন্য যৌক্তিক সময় দেওয়া হবে। তবে যেসব সংস্কারের দাবিতে পতিত হাসিনার সরকার পলায়নে বাধ্য হয়েছে, তা যদি না করা হয় তাহলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

জামায়াতে ইসলামী চায়, সংস্কার শেষ করে জাতীয় নির্বাচন হোক। অন্যথায় পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের সাজানো প্রশাসন দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন কখনোই সম্ভব নয়। এই ইস্যুতে তারা আরেকটু বেশি সময় দিতে চায় অন্তর্বর্তী সরকারকে।  

সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশের নির্যাতিত ১৮ কোটি মানুষের দাবি, গণহত্যাকারীদের বিচার, ২৪-এর শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আহত এবং পঙ্গু অসংখ্য ছাত্র, তরুণ, যুবক ও মুক্তিকামী মানুষের সুচিকিৎসা এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৫ বছরের সৃষ্ট জঞ্জালগুলোর মৌলিক সংস্কার সাধন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা। এ সময় জনগণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই গণহত্যার বিচারটাই দেখতে চায়।

অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গণপরিষদ নির্বাচন চায়। নির্বাচনের আগে সংস্কারের ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে এসসিপি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার চায়।

গত ২৬ মার্চ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ৭১-এর বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সামনের দিনে আর যেন রক্ত দিতে না হয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণ করতে চাই।  

সংস্কার ও বিচারবিহীন নির্বাচন দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, পুরনো সংবিধান চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ফ্যাসিবাদকে আবার পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। সংস্কার ও বিচার ছাড়া কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করলে জনগণ মেনে নেবে না। তাদের প্রতিহত করবে এনসিপি।

আওয়ামী লীগ ঠেকানোর প্রশ্নে ঐকমত্য
সংস্কার-নির্বাচন ইস্যুতে এই দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য বা দূরত্ব থাকলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অবস্থানে তাদের মধ্যে ‍দৃঢ় ঐক্য রয়েছে। এই ইস্যুতে বিরাজমান ঐক্য যাতে নষ্ট না হয় বা কোনো ধরনের সংকট তৈরি না হয় সে বিষয়ে তিন দলের হাইকমান্ডই সজাগ। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অবস্থানের ক্ষেত্রে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি প্রায় একই সুরে কথা বলছে এবং ঐক্যের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

বিএনপি বলছে, ঐক্যকে অক্ষুন্ন রেখে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। এই ঐক্যের চর্চাকে দলটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত করতে চায়। এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না যাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য এবং গণঐক্য বিনষ্ট হয় অথবা ফাটল ধরে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ফ্যাসিবাদ উত্তর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে নানা প্রস্তাব আর মতামত উঠে এসছে সংস্কার কমিশনের রিপোর্টের মাধ্যমে, যার মূল ভিত্তিটা রচনা করেছে বিএনপি ৩১ দফা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের অনেক আগে ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাবগুলোর সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি প্রদানের জন্য একটি নির্বাচিত সংসদই কেবল উপযুক্ত ফোরাম। বিদ্যমান ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য এই দেশ এবং দেশের মানুষের মূল চালিকা শক্তি। এই ঐক্যকে অক্ষুন্ন রেখে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। এই ঐক্যের চর্চাকে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে। আমরা এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারি না, যাতে করে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য এবং গণঐক্য বিনষ্ট হয় অথবা ফাটল ধরে। সুতরাং অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে। কোনো মহলের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের এজেন্ডা যেন সরকারের কর্মপরিকল্পনার অংশ না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি আরেক অনুষ্ঠানে বলেন, আওয়ামী লীগের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। শুধু শেখ হাসিনার বিচার নয়, সব অপরাধীর আদালতের ন্যায়সঙ্গত বিচার হলে পরে আর ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে না। তখন কে রাজনীতি করবেন বা করবেন না, সেই দায়িত্ব জনগণ নেবে।

জামায়াতে ইসলামীও এই ইস্যুতে ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্র চলছে বলেও জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে দল-মতের উর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে দলটি।

এক ফেসবুক পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পর ২৪-এর ৩৬ জুলাই আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের একান্ত মেহেরবাণীতে উপহার হিসেবে পেয়েছি। এ সময় দেশেকে অস্থিতিশীল করার জন্য পতিত ফ্যাসিবাদীরা দেশের ভেতরে এবং বাইরে নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমরা সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাই৷

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কঠোর অবস্থানে এনসিপি। আওয়ামী লীগের সময়ের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার ও দলটিকে নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছে এনসিপি। ২০ মার্চ ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ড. কমফোর্ট ইরোর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে দলের যেসব নেতার বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বাংলাদেশের আদালতে বিচার করা হবে।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের বিরোধিতা করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংঘটিত পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা হত্যাকাণ্ড, আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড, গুম-ক্রসফায়ার, ভোট ডাকাতিসহ জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রশ্নে কার্যকর অগ্রগতি দৃশ্যমান হওয়ার আগে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদ থেকে এ ধরনের বক্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত। আওয়ামী লীগ এখন গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক দল নয়, ফ্যাসিবাদী দল। জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার চলাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।

বাংলাদেশ সময়: ২২০১ ঘণ্টা, মার্চ ২৮, ২০২৫
এসকে/টিএ/এইচএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।